ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে তিনি প্রয়োজনে ইউক্রেনে সেনা মোতায়েন করতে প্রস্তুত। প্যারিসে ইউরোপের নেতারা ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে বৈঠকে বসার কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি এ কথা জানান। ওয়াশিংটন থেকে এএফপি আজ এই খবর জানায়।
‘ডেইলি টেলিগ্রাফে’ এক নিবন্ধে কিয়ার স্টারমার লিখেছেন, তিনি ব্রিটিশ সেনা ও নারীদের ‘ক্ষতির মুখে’ ফেলার সিদ্ধান্তটি হালকাভাবে নেননি। তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আরো আগ্রাসন থেকে বিরত রাখতে ইউক্রেনে স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করা অপরিহার্য। লেবার পার্টির নেতা স্টারমার আরো লিখেছেন, ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধ যখন শেষ হবে, সেটা শুধু পুতিন পুনরায় আক্রমণ করার আগ পর্যন্ত একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি হলে হবে না।
এর আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো শান্তি চুক্তি হলে তা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ব্রিটেন সহায়তা করতে রাজি আছে। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে ইউক্রেনে সেনা মোতায়েন করতে প্রস্তুত ব্রিটেন। ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) প্যারিসে একটি সম্মেলনে বসেছেন ইউরোপের দেশগুলোর নেতারা। ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, স্পেন, নেদারল্যান্ডস ও ডেনমার্কের নেতাদের সঙ্গে প্যারিসের বৈঠকে যোগ দেন স্টারমার।
এদিকে ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে সতর্ক বাণী দিয়ে বলা হয়েছে, ইউরোপের দেশগুলোর উচিত নিজেদের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরো উদ্যোগ নেওয়া। মঙ্গলবার সৌদি আরবে ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠা নিয়ে বৈঠক করবে আমেরিকা ও রাশিয়া। এই বৈঠকে ইউক্রেন বা ইউরোপের অন্য কোনো দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। যার ফলে, ইউরোপের নেতারা আশঙ্কা করছেন তিন বছরব্যাপী ইউক্রেন যুদ্ধ নিরসনের দরকষাকষিতে ইউরোপকে পাশ কাটানোর প্রক্রিয়া চলছে।
সূত্র: এএফপি
এসজেড