সরকার এখন থেকে কঠোরভাবে উপবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে, যার ফলে বিবাহিত, অনুপস্থিত এবং পরীক্ষায় কম নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীরা আর উপবৃত্তির আওতায় থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা পাঠিয়েছে এবং আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে অযোগ্য শিক্ষার্থীদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
সম্প্রতি, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের স্কিম পরিচালক ও যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আসাদুল হকের সই করা একটি চিঠিতে এসব বিষয়ে জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি ও সমমানের মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত দরিদ্র শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, টিউশন ফি ও অন্যান্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছে সরকার। তবে নানা কারণে অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করে। যেমন—অষ্টম শ্রেণি শেষে নবম শ্রেণিতে অন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া অথবা টিসি নিয়ে অন্য স্কুল-কলেজে চলে যাওয়া। এসব ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর উপবৃত্তি সংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে হালনাগাদ করতে হবে ‘এইচএসপি-এমআইএস’ সফটওয়্যারে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের লিংকে প্রবেশ করে নির্দিষ্ট ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। এরপর ‘উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থী’ মেন্যু থেকে ‘শিক্ষার্থীর প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন’ অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। সঠিকভাবে বদলি করা প্রতিষ্ঠানের নাম নির্বাচন করে ট্রান্সফার সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
অযোগ্যতার মানদণ্ড ও কার্যকর করার প্রক্রিয়া-
২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ থেকে দশম এবং একাদশ শ্রেণির যেসব শিক্ষার্থী নিচের যেকোনো একটি মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হবে, তাদের উপবৃত্তি বন্ধ করে দেওয়া হবে:
৪৫ শতাংশের কম নম্বর: বার্ষিক বা সমমানের পরীক্ষায় মোট নম্বরের ৪৫ শতাংশের কম পেলে।
৭৫ শতাংশের কম উপস্থিতি: ক্লাসে ৭৫ শতাংশের কম উপস্থিত থাকলে।
বিবাহিত: বিবাহিত শিক্ষার্থীরা উপবৃত্তির জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবে।
thebgbd.com/NA