বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে শুরুটা ভয়াবহ হলেও শেষটা রূপকথার মতোই লিখছে বলিভিয়া। প্রথম ছয় ম্যাচের পাঁচটিতেই হারের পর কনমেবল অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত ইন্টার-কনফেডারেশন প্লে-অফের টিকিট নিশ্চিত করেছে ‘লা ভার্দে’। ঘরের মাঠে শক্তিশালী ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়েই এই ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছে তারা।
ম্যাচের আগে বলিভিয়ার জন্য সমীকরণ ছিল কঠিন। তাদের জিততেই হতো। প্রথমার্ধে বলিভিয়ার হয়ে সবচেয়ে সক্রিয় ছিলেন মিগুয়েলিতো। বলিভিয়া প্রথমার্ধে ১৪টি শট নিলেও গোল পাচ্ছিল না। অবশেষে প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে মিললো সেই সুযোগ। ব্রুনো গিমারায়েস বক্সে ফাউল করেন রবার্তো ফার্নান্দেজকে। এতে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা।
সেই পেনাল্টি থেকেই গোল করে দলকে এগিয়ে নেন মিগুয়েলিতো। বিরতিতে যাওয়ার আগে এক গোলের লিডে এবং ভেনেজুয়েলা-কলম্বিয়া ম্যাচে তখন পর্যন্ত সমতায় থাকার কারণে বলিভিয়া ছিল প্লে-অফের অবস্থানে।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিল আক্রমণ বাড়াতে একে একে রাফিনহা, জোয়াও পেদ্রো এবং চেলসির উঠতি তারকা এস্তেভাওকে নামায়। কিন্তু বলিভিয়ার রক্ষণভাগ ছিল দুর্ভেদ্য। বরং আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেছিল স্বাগতিকরা, তবে ফিনিশিংয়ে ঘাটতির কারণে ব্যবধান বাড়াতে পারেনি তারা। এদিকে কলম্বিয়া দুটি গোল করে ভেনেজুয়েলাকে চাপে ফেলেছে, যা বলিভিয়ার জন্য ছিল বড় স্বস্তি।
শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলের বিপক্ষে ঐতিহাসিক এই জয় এবং ভেনেজুয়েলার হারে ১৯৯৪ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মূলপর্বে জায়গা করে নেওয়ার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল বলিভিয়া। এখন তাদের সামনে ইন্টার-কনফেডারেশন প্লে-অফের বাধা, যা পেরোতে পারলেই পূরণ হবে ৩২ বছরের বিশ্বকাপ স্বপ্ন।
thebgbd.com/NIT