ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত

স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৪৬ মিনিটে সবচেয়ে বড় অগ্ন্যুৎপাতটি হয়। এটির শিখর থেকে ছয় কিলোমিটার উপরে লাভা ছড়িয়ে পড়ে।
  • অনলাইন ডেস্ক | ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত অগ্নুৎপাত।

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে একটি আগ্নেয়গিরিতে একাধিকবার অগ্ন্যুৎপাত ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ সতর্কতা বৃদ্ধি করে সর্বোচ্চ স্তর করার পর আকাশে এক কিলোমিটার জুড়ে ছাইভস্ম ছড়িয়ে পড়েছে। প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ের কারণে শনিবার স্থানীয় বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে বলে জাকার্তা থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে।


আগ্নেয়গিরি সংস্থা এক বিবৃতিতে জানায়, ফ্লোরেস দ্বীপের ১ হাজার ৫৮৪ মিটার উঁচু দ্বি-শিখর আগ্নেয়গিরি মাউন্ট লেওটোবি লাকি-লাকি-এ শুক্রবার সন্ধ্যায় ধারাবাহিক অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৪৬ মিনিটে সবচেয়ে বড় অগ্ন্যুৎপাতটি হয়। এটির শিখর থেকে ছয় কিলোমিটার উপরে লাভা ছড়িয়ে পড়ে।


শনিবার সকালে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত পুনরায় শুরু হয়েছে। আগ্নেয়গিরি সংস্থাটি বেশ ক’টি অগ্ন্যুৎপাত রেকর্ড করেছে, যার মধ্যে একটি আকাশে ২.৫ কিলোমিটার উপরে ছাইয়ের টাওয়ার তৈরি করেছে। শুক্রবার রাতে ভূতত্ত্ব সংস্থা ইন্দোনেশিয়ার আগ্নেয়গিরির চারটি সতর্কতা স্তরের সর্বোচ্চ সতর্কতায় উন্নীত করার পরে ওই অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।


বাসিন্দা ও পর্যটকদের আগ্নেয়গিরির গর্ত থেকে কমপক্ষে ছয় কিলোমিটার দূরে থাকার জন্য সতর্ক করেছেন ভূতাত্ত্বিক সংস্থার প্রধান মুহাম্মদ ওয়াফিদ। তিনি বলেন, আগ্নেয়গিরির ছাই বিমানবন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত করতে পারে। লাহার বন্যা’র ঝুঁকির জন্য বাসিন্দাদের সতর্ক থাকা উচিত। বিশেষ করে নদীর কাছাকাছি সম্প্রদায়ের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে হবে। লাহার বন্যা হলো ভারী বৃষ্টির পানি ও এক ধরণের কাদা বা আগ্নেয়গিরির ধ্বংসাবশেষের প্রবাহ।


অগ্ন্যুৎপাতের পর ফ্লোরেসের মাউমেরে শহরের অভ্যন্তরীণ বিমান পরিষেবা প্রদানকারী একটি বিমানবন্দর তাদের কার্যক্রম স্থগিত করেছে।


সূত্র: এএফপি


এসজেড