ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ইউনের বিরুদ্ধে নতুন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

২০২৫ এর জানুয়ারিতে গ্রেপ্তার হওয়ার মাধ্যমে ইউন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে হেফাজতে নেওয়া হন।
  • অনলাইন ডেস্ক | ০২ জানুয়ারি, ২০২৬
ইউনের বিরুদ্ধে নতুন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইউন সুক-ইওল

দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত শুক্রবার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের বিরুদ্ধে নতুন করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। এর ফলে ২০২৪ সালে সামরিক আইন জারি করার চেষ্টার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি থাকা সাবেক এই নেতার আটককাল বাড়ানো হলো।


উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে শত্রুকে সহায়তার একাধিক অভিযোগে গত নভেম্বরে প্রসিকিউটররা ইউনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। অভিযোগে বলা হয়, সামরিক শাসন জারির প্রচেষ্টা জোরদার করতে তিনি উত্তর কোরিয়ার ওপর ড্রোন উড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।


সিউল থেকে এএফপি জানায়, ওই মামলায় জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মেয়াদ ১৮ জানুয়ারি শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে শুক্রবারের আদেশে এর মেয়াদ সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, ‘তিনি প্রমাণ নষ্ট করতে পারেন, এমন আশঙ্কার ভিত্তিতে পরোয়ানাটি জারি করা হয়েছে।’


একাধিক ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালে ইউন কয়েক মাস ধরে হেফাজতে রয়েছেন। ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় স্বল্প সময়ের জন্য বেসামরিক শাসন স্থগিত করেন। এতে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয় এবং সংসদে তীব্র অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদচ্যুত করা হয়।


২০২৫ এর জানুয়ারিতে গ্রেপ্তার হওয়ার মাধ্যমে ইউন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে হেফাজতে নেওয়া হন। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ঠেকাতে তার প্রেসিডেন্সিয়াল নিরাপত্তা বাহিনী ব্যবহার করেন।


বিদ্রোহ মামলার বিচার চলাকালে মার্চ মাসে প্রক্রিয়াগত কারণে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। তবে ওই মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রমাণ নষ্ট করার আশঙ্কায় জুলাই মাসে তাকে আবার আটক করা হয়। ন্যায়বিচার কাজে বাধাদানের অভিযোগে প্রসিকিউটররা ইউনের বিরুদ্ধে ১০ বছরের কারাদণ্ডও চাইছেন। এ মামলায় সিউলের একটি আদালত ১৬ জানুয়ারি রায় ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


সূত্র: এএফপি


এসজেড