ঢাকা | বঙ্গাব্দ

নষ্ট ফোনেই রয়েছে স্বর্ণ

ডিজিটাল যুগে সব কাজেই গ্যাজেট ব্যবহার করছেন সবাই। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় স্মার্টফোন। বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর প্রায় ১.৩ থেকে ১.৬ বিলিয়ন (১৩ থেকে ১৬০ কোটি) স্মার্টফোন বিক্রি হয়। ফলে প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিক বর্জ্য তৈরি হয়। পুরোনো মোবাইল, ল্যাপটপ, রিমোট, সার্কিট বোর্ড এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি অনেক সময় শুধু আবর্জনা মনে করে ফেলে দেন। তবে জানেন কি, এই ই-ওয়েস্টেজের মধ্যে রয়েছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণ?
  • নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২ জানুয়ারি, ২০২৬
নষ্ট ফোনেই রয়েছে স্বর্ণ ছবি : সংগৃহীত।

ডিজিটাল যুগে সব কাজেই গ্যাজেট ব্যবহার করছেন সবাই। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় স্মার্টফোন। বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর প্রায় ১.৩ থেকে ১.৬ বিলিয়ন (১৩ থেকে ১৬০ কোটি) স্মার্টফোন বিক্রি হয়। ফলে প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিক বর্জ্য তৈরি হয়। পুরোনো মোবাইল, ল্যাপটপ, রিমোট, সার্কিট বোর্ড এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি অনেক সময় শুধু আবর্জনা মনে করে ফেলে দেন। তবে জানেন কি, এই ই-ওয়েস্টেজের মধ্যে রয়েছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণ?


বৈদ্যুতিন যন্ত্রপাতির ভিতরে কন্ডাক্টিভিটি ভালো করার জন্য অল্প পরিমাণে স্বর্ণ ব্যবহার করা হয়। যদিও একটি ফোনে খুব কম স্বর্ণ থাকে, বিজ্ঞানীরা বলছেন, আসল সাফল্য এসেছে এখনকার নতুন পদ্ধতিতে, যেটা দিয়ে অনেক বেশি পরিমাণ বর্জ্য থেকে সহজেই স্বর্ণ বের করা যায়।


চিনের গবেষকরা একটি সহজ পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, যেটা দিয়ে ইলেকট্রনিক বর্জ্য থেকে স্বর্ণ বের করা যায়। এই আবিষ্কার শুধু পরিবেশের জন্য নয়, অর্থনৈতিক দিক থেকেও বড় পরিবর্তন আনতে পারে, কারণ স্বর্ণ নিষ্কাষণ আগের চেয়ে অনেক সহজ হবে।


গবেষণা অনুযায়ী, ঘরের তাপমাত্রায় ২০ মিনিটের কম সময়ে ওই স্বর্ণ বের করা যায়। এই পদ্ধিততে খরচ এখনকার সোনা নিষ্কাষণ পদ্ধতিগুলির এক-তৃতীয়াংশ।


গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মোবাইল ফোনের সিপিইউ আর প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড থেকে থেকে ৯৮.২% এর বেশি স্বর্ণ বের করা যায়। এই পদ্ধতিতে ৯৩.৪% পর্যন্ত প্যালাডিয়াম, আরও একটি মূল্যবান ধাতু বের করা সম্ভব।


সূত্র: নিউজ বাংলা ১৮


thebgbd.com/NA