ঢাকা | বঙ্গাব্দ

পুতিনের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের বৈঠক

ক্রেমলিন জানিয়েছে, রুশ পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ নেন রুশ আলোচক কিরিল দিমিত্রিভ ও ক্রেমলিনের সহকারী ইউরি উশাকভ।
  • অনলাইন ডেস্ক | ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
পুতিনের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের বৈঠক উইটকফ ও পুতিন।

ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খসড়া একটি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার জন্যমার্কিন বিশেষ দূতস্টিভ উইটকফসহ শীর্ষস্থানীয় মার্কিন আলোচকরা বৃহস্পতিবার রাতে মস্কোতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এদিকে কিয়েভ ঘোষণা দিয়েছে, যুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তা নিশ্চয়তা বিষয়ে তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘাতের অবসান ঘটাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে গতি পেয়েছে। তবে যুদ্ধ-পরবর্তী সমঝোতায় ভূখণ্ডের মূল প্রশ্নে মস্কো ও কিয়েভ এখনো পরস্পরবিরোধী অবস্থানে রয়েছে। শুক্রবার ভোরে প্রকাশিত ক্রেমলিনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, তিন ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আলোচনা চলার পর বৈঠক শেষ হয়েছে।


ক্রেমলিন কর্তৃক প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা গেছে, হাস্যোজ্জ্বল পুতিন উইটকফ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা জোশ গ্রুয়েনবাউমের সঙ্গে করমর্দন করছেন। ক্রেমলিন জানিয়েছে, রুশ পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ নেন রুশ আলোচক কিরিল দিমিত্রিভ ও ক্রেমলিনের সহকারী ইউরি উশাকভ।


গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি একটি খসড়া চুক্তিকে ‘প্রায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত’ বলে মন্তব্য করার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই। তিনি জানান, যুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিষয়ে তার সঙ্গে ট্রাম্পের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।


ইউক্রেনের প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড দখল করে রাখা রাশিয়া একটি চুক্তির অংশ হিসেবে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় দনবাস অঞ্চলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দাবি করছে। তবে কিয়েভ সতর্ক করে জানিয়েছে, নিজেদের ভূখণ্ড ছাড়ার বিনিময়ে রাশিয়ার সঙ্গে কোনো ধরনের শান্তি চুক্তি করা যাবে না। কারণ যদি ভূখণ্ড ছাড়ের বিনিময়ে শান্তি চুক্তি করা হয়, তবে এতে রাশিয়াকে আরও আগ্রাসী হতে উৎসাহ দেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে এই দেশটির হামলাকে আর প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়ে উঠবে না।


দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ট্রাম্পের সঙ্গে এক সাক্ষাতের পর, জেলেনস্কি সাংবাদিকদের বলেন, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা ‘সম্পন্ন’ হয়েছে। এ সময় তিনি আরও বলেন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স ইতোমধ্যেই স্থলভাগে সেনা মোতায়েনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।


সূত্র: এএফপি


এসজেড