ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করার প্রেক্ষাপটে ইসরায়েল সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য ৮২ কোটি ৭০ লাখ ডলারের একটি জরুরি বাজেট অনুমোদন দিয়েছে বলে রোববার ইসরাইলি গণমাধ্যম জানিয়েছে। জেরুজালেম থেকে এএফপি জানায়, ২ দশমিক ৬ বিলিয়ন শেকেল সমপরিমাণ এই তহবিল সপ্তাহান্তে মন্ত্রিসভার সদস্যরা টেলিফোন বৈঠকের মাধ্যমে অনুমোদন করেছেন বলে জানিয়েছে দৈনিক হারেৎজ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অর্থ ‘নিরাপত্তা-সংক্রান্ত ক্রয়’ এবং ‘জরুরি প্রয়োজন’ মেটাতে ব্যবহার করা হবে। তবে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি এবং এই তহবিল দিয়ে কী ধরনের সামরিক সরঞ্জাম কেনা হবে তাও নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি।
এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সা’র সপ্তাহান্তে প্রকাশিত সেই প্রতিবেদনগুলো নাকচ করে দেন, যেখানে বলা হয় ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি স্থান পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকরা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে সা’র বলেন, ‘উত্তর হলো, না।’
অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি নথি, যা সব মন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে এবং চ্যানেল ১২সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে যে ‘যুদ্ধের তীব্রতা বিবেচনায়’ অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ দেওয়া প্রয়োজন। নথিতে বলা হয়, ‘অপারেশনাল সক্ষমতা নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে গোলাবারুদ সংগ্রহ, উন্নত অস্ত্রব্যবস্থা ক্রয় এবং গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ মজুত পুনরায় পূরণ করা অন্তর্ভুক্ত।’ এই পদক্ষেপটি ‘যুদ্ধ পরিচালনার ফলে সৃষ্ট প্রয়োজন মেটাতে নেওয়া একটি ব্যতিক্রমী জরুরি সিদ্ধান্ত’।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অর্থ রাষ্ট্রীয় বাজেট থেকে নেওয়া হবে। ২২ হাজার ২০০ কোটি ডলারের (২২২ বিলিয়ন) ওই বাজেট ১২ মার্চ সরকার অনুমোদন করেছে এবং ৩১ মার্চের মধ্যে এটি নেসেটে গৃহীত হওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্র: এএফপি
এসজেড