ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ডেনিশ পার্লামেন্টে গ্রিনল্যান্ডপন্থির জয়

১৯৫৩ সাল পর্যন্ত ডেনমার্কের উপনিবেশ থাকা প্রায় ৫৭ হাজার জনসংখ্যার এই দ্বীপটি ২০০৯ সালে স্বায়ত্তশাসন লাভ করে।
  • অনলাইন ডেস্ক | ২৫ মার্চ, ২০২৬
ডেনিশ পার্লামেন্টে গ্রিনল্যান্ডপন্থির জয় গ্রিনল্যান্ড।

গ্রিনল্যান্ডের দ্রুত স্বাধীনতা অর্জনের পক্ষে থাকা একটি দলের প্রার্থী ডেনমার্কের পার্লামেন্টে দ্বীপটির প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন। খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটির ডেনমার্কের ১৭৯ আসনের পার্লামেন্টে দুটি আসন রয়েছে। নুক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। 


মঙ্গলবার গ্রিনল্যান্ডের ভোটাররা একটি রাজনৈতিক দল ও একজন প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেন। উভয়ের সম্মিলিত ফলাফলের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় যে কে তাদের প্রতিনিধিত্ব করবেন। সরকারি ফলাফল অনুযায়ী, কারসোক হোগ-ডাম  ব্যক্তিগত পছন্দের ভোটে ২১ দশমিক ৬ শতাংশ পেয়ে শীর্ষে রয়েছে। তার দল নালেরাক দ্বিতীয় স্থান অর্জন করায় তিনি দুটি আসনের একটি লাভ করেন। নালেরাক দল যত দ্রুত সম্ভব ডেনমার্কের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চায়।


অন্যদিকে গ্রিনল্যান্ডের দ্বিতীয় আসনটি জয় করেছেন সামাজিক গণতান্ত্রিক দল ইনুইট আতাকাতিগিট এর নেতা এবং গ্রিনল্যান্ড সরকারের মন্ত্রী নায়া নাথানিয়েলসেন। গ্রিনল্যান্ডের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সবাই স্বাধীনতা চায়, তবে কত দ্রুত তা অর্জন করা হবে— এ নিয়ে তাদের মধ্যে মত পার্থক্য রয়েছে।


১৯৫৩ সাল পর্যন্ত ডেনমার্কের উপনিবেশ থাকা প্রায় ৫৭ হাজার জনসংখ্যার এই দ্বীপটি ২০০৯ সালে স্বায়ত্তশাসন লাভ করে। গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক ও ডেনমার্ক উভয়ই বারবার বলেছে যে, অঞ্চলটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে গ্রিনল্যান্ড নিজেই এবং এটি বিক্রির জন্য নয়। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডেনাল্ড ট্রাম্প এটিকে কেনা বা প্রয়োজনে দখল করার হুমকি দিয়েছেন।


গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার এএফপিকে বলেন, ডেনমার্কের সাধারণ নির্বাচন ছিল এই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ডেনমার্কে প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডরিকসনের ট্রাম্প বিরোধী কঠোর অবস্থান জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ফ্রেডেরিকসেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস দল মঙ্গলবারের সাধারণ নির্বাচনে প্রথম হলেও, ১২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছে এবং তাদের বামপন্থী জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুটি নির্বাচনী প্রচারণার কেন্দ্রবিন্দু ছিল না, বরং মূল্যস্ফীতি ও অভিবাসনের মতো অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলোই এই নির্বাচনে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।


সূত্র: এএফপি


এসজেড