ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ভারতের ব্রাহ্মণরা মানুষের ক্ষতি করে

নাভারো বলেন, ‘ভারতের মানুষকে বলতে চাই, আপনাদের দেশে ব্রাহ্মণরা সাধারণ মানুষের ক্ষতি করে নিজেরা মুনাফা কামাচ্ছে।’
  • অনলাইন ডেস্ক | ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ভারতের ব্রাহ্মণরা মানুষের ক্ষতি করে পিটার নাভারো।

আবারও ভারত এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কড়া সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো। তিনি অভিযোগ করেছেন, ‘ভারতের ব্রাহ্মণরা দেশটির সাধারণ মানুষের ক্ষতি করে নিজেরা মুনাফা কামাচ্ছে।’ মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে নাভারো বলেছেন, ‘মোদি ভাল নেতা। কিন্তু বুঝতে পারছি না, বিশ্বের সবথেকে বড় গণতন্ত্রের নেতা হয়েও তিনি কেন পুতিন আর শি জিনপিংয়ের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন।’


ভারতকে রাশিয়ার ‘মানি লন্ড্রিং সেন্টার’বলে অভিহিত করে তিনি বলেন, নয়া দিল্লি এমন বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা ও ভূ-রাজনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী। ভারতের সাধারণ মানুষের ক্ষতির বিনিময়ে মুনাফা করার জন্য দেশটির অভিজাত শ্রেণিকে অভিযুক্ত করে নাভারো বলেন, ‘ভারতের মানুষকে শুধু এটাই বলতে চাই, যা ঘটনা হচ্ছে, সেগুলো বুঝুন। আপনাদের দেশে ব্রাহ্মণরা সাধারণ মানুষের ক্ষতি করে নিজেরা মুনাফা কামাচ্ছে। আমরা চাই এটা বন্ধ হোক।’ 


তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসন শুরু হওয়ার আগে ভারত মস্কোর কাছ থেকে খুব একটা তেল কিনত না। কিন্তু এখন তারা রাশিয়ার ‘যুদ্ধযন্ত্রে’জ্বালানি জোগাচ্ছে। ভারত আসলে রাশিয়ার জন্য একটি লন্ড্রোম্যাট ছাড়া কিছুই নয়।


নাভারো বলেন,  ‘২৫ কিংবা ৫০ শতাংশ শুল্কের কারণ হচ্ছে ভারত হলো শুল্কের মহারাজা। তাদেরই বিশ্বে সবচেয়ে বেশি শুল্ক হার রয়েছে। তারা আমাদের তাদের দেশে বিক্রি করতে দেয় না। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মার্কিন শ্রমিক, করদাতারা আর ইউক্রেনের শহরগুলোতে রাশিয়ার ড্রোনে মানুষ মারা যাচ্ছে।’


এর আগেও রাশিয়া থেকে খনিজ তেল কেনার ব্যাপারে ভারতের প্রতি আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পিটার নাভারো। গত সপ্তাহে সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের সঙ্গে আলাপচারিতায় বলেন, রাশিয়া আর ইউক্রেনের যুদ্ধ আসলে ‘মোদির যুদ্ধ’। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা একাধিক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেছেন, ভারতীয় রিফাইনারি রাশিয়ার তেল কম দামে কিনে প্রক্রিয়াজাত করছে এবং তা উচ্চ মূল্যে ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে রফতানি করছে। 


সূত্র: বিবিসি


এসজেড